মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন

জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের ইন্তেকাল

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২০
  • ৯০ জন দেখেছেন

জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বৃহস্পতিবার ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় আক্রান্ত ড. আনিসুজ্জামানকে গত ১০ মে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এর আগে তিনি রাজধানীর ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ড. আনিসুজ্জামান ছিলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, লেখক, গবেষক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক।

১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করা ড. আনিসুজ্জামান ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ড. কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে গঠিত জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন তিনি।

শিক্ষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি একাধিক পুরস্কার লাভ করেছেন। প্রবন্ধ গবেষণায় অবদানের জন্য ১৯৭০ সালে তিনি বাংলা একাডেমি থেকে প্রদত্ত সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। শিক্ষায় অবদানের জন্য তাকে ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকার থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

শিক্ষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য তাকে ভারত সরকার কর্তৃক প্রদত্ত তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পদক প্রদান করা হয়। সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৫ সালে তাকে বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করে।

এছাড়া তিনি ১৯৯৩ ও ২০১৭ সালে দুইবার আনন্দবাজার পত্রিকার দেয়া আনন্দ পুরস্কার, ২০০৫ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট. ডিগ্রি এবং ২০১৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক লাভ করেন।

২০১৮ সালের ১৯ জুন বাংলাদেশ সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়।

আনিসুজ্জামানের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে- মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য (১৯৬৪), মুসলিম বাংলার সাময়িকপত্র (১৯৬৯), মুনীর চৌধুরী (১৯৭৫), স্বরূপের সন্ধানে (১৯৭৬), আঠারো শতকের বাংলা চিঠি (১৯৮৩), মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৯৮৩), পুরোনো বাংলা গদ্য (১৯৮৪), মোতাহার হোসেন চৌধুরী (১৯৮৮), আমার একাত্তর (১৯৯৭), মুক্তিযুদ্ধ এবং তারপর (১৯৯৮), এবং আমার চোখে (১৯৯৯)।

সূত্র : ইউএনবি ও নয়া দিগন্ত

Please Share This Post in Your Social Media

আরও সংবাদ পড়ুন

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
২০,২৯০,০৯৩
সুস্থ
১৩,২১২,৬৪৮
মৃত্যু
৭৩৯,৯৩৩

বাংলাদেশে কোরোনা

মোট

১৭৮,৪৪৩

জন
নতুন

২,৯৪৯

জন
মৃত

২,২৭৫

জন
সুস্থ

৮৬,৪০৬

জন
© All rights reserved © 2019 ongkur24.com
Design & Developed By: NCB IT
112233