মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০, ০৭:২৫ অপরাহ্ন

সংক্রমণের তোয়াক্কা না করে ঈদে বাড়ি ফিরছে মানুষ

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময়ঃ শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২০
  • ১৯ জন দেখেছেন
ছবি : বিবিসি

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বাংলাদেশে কোরবানির ঈদে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মানুষকে ভ্রমণ করার আহ্বান জানানো হলেও সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করছে অধিকাংশ মানুষ।

ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় যাওয়ার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র রেলপথের যাত্রীদের পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে দেখা গেছে । রেল কর্তৃপক্ষও এটি নিশ্চিত করতে যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করেছে।

সড়কপথে যাতায়াতের ক্ষেত্রে অধিকাংশ জায়গাতেই স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা করছে না মানুষ। কিছু কিছু গণ-পরিবহণে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যাত্রী নেয়া হলেও অধিকাংশই নির্দেশনা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে সবচেয়ে আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি দেখা গেছে নৌপথে যাতায়াতে। ঢাকার সদরঘাট থেকে অন্যান্য জেলার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া প্রায় সবকটি লঞ্চেই ছিল ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী। যেভাবে গাদাগাদি করে যাত্রী নিয়ে লঞ্চ, স্টিমারগুলো ভ্রমণ করছে, ঐ পরিস্থিতিতে যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো সুযোগই নেই।

জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি সুপারিশ করেছিল যেন ঈদের সময় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রাম জেলার সাথে দেশের অন্যান্য জেলার যাতায়াত বন্ধ থাকে।

এই চারটি শহরে কোভিড রোগীর তুলনামূলক-ভাবে বেশি থাকায় ঈদের সময়ে এসব জায়গা থেকে মানুষের মাধ্যমে সারাদেশে যেন করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে, সেলক্ষ্যে ঐ সুপারিশ করেছিল জাতীয় কমিটি। তবে শেষপর্যন্ত সুপারিশ আমলে নেয়া হয়নি, ফলে ঝুঁকি থাকলেও এসব জেলা থেকে অবাধে নিজেদের গন্তব্যের দিকে যাচ্ছে মানুষ।

নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির গত বছর রোজার ঈদের আগে এক গবেষণায় বলা হয়েছিল যে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের চারটি সিটি কর্পোরেশনের প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঐ ঈদে অন্য জেলায় সফর করবেন।

এবছর করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মধ্যে ঐ সংখ্যাটা সেই তুলনায় বেশ কম হবে বলে ধারণা করা হলেও যেই পরিমাণ মানুষ কর্মস্থল ছেড়ে বাড়ির দিকে যাবেন, সেই সংখ্যাটাও অনেক।

সাভার, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ এলাকার হাইওয়ে পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায় অনেক বাসেই সরকার নির্দেশিত ভাবে এক সিট ফাঁকা রেখে নেয়া হচ্ছে না যাত্রী।

এছাড়া সিএনজি, লেগুনা, মাইক্রোবাসে ভ্রমণ করা মানুষের মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মানার তেমন আগ্রহ নেই বলে মন্তব্য করেন হাইওয়ে পুলিশ সাভারের একজন কর্মকর্তা।

আবার সিলেট, চট্টগ্রাম, বগুড়া, রাজশাহীর দিকে যাত্রা করা যাত্রীবাহী বাসগুলোর অধিকাংশই স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রী পরিবহন করছে বলে মন্তব্য করেন সেসব এলাকার হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা।

তবে সড়কপথে কিছু কিছু জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতায়াতের খবর পাওয়া গেলেও নৌপথের ছিল সম্পূর্ণ বেহাল দশা।

গতকাল থেকে ঢাকা থেকে বরিশাল, চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে যেসব লঞ্চ, স্টিমার ছেড়ে গেছে, সেগুলোর প্রায় সবগুলোতেই গাদাগাদি করে গিয়েছে মানুষ।

পাশাপাশি ঢাকা থেকে সড়কপথে বিভিন্ন জেলায় যাওয়ার সময় ব্যবহৃত ফেরিগুলোতেও স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই ঠাসাঠাসি করে যাত্রী উঠতে দেখা গেছে।

সূত্র : বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

আরও সংবাদ পড়ুন

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
২০,২৯৬,২৭১
সুস্থ
১৩,২১৭,৯৬৪
মৃত্যু
৭৪০,০৫৩

বাংলাদেশে কোরোনা

মোট

১৭৮,৪৪৩

জন
নতুন

২,৯৪৯

জন
মৃত

২,২৭৫

জন
সুস্থ

৮৬,৪০৬

জন
© All rights reserved © 2019 ongkur24.com
Design & Developed By: NCB IT
112233